কুরবানীর ঈদ শেষ হওয়ার কয়েকদিন পর অনেক এলাকায় দেখা যায় ফেরিওয়ালারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পশুর চর্বি কিনে। সাধারণ মানুষও না জানার কারণে কুরবানির পশুর চর্বি তাদের কাছে বিক্রি করে দেন। এই কাজটি জায়েজ নয়।

- মনে রাখতে হবে, কুরবানীর পশুর গোশত, চর্বি, হাড়, ক্ষুর বা যে কোনো অংশই বিক্রি করা সম্পূর্ণ নিষেধ। ভুলবশত কেউ যদি বিক্রি করে ফেলেন, তবে প্রাপ্ত টাকা সম্পূর্ণ সদকা করে দিতে হবে।
কোন সুরতে জায়েজ?
- বিক্রয়লব্ধ মূল্য সদকার নিয়ত না থাকলে কুরবানীর পশুর কোনো অংশই বিক্রি করা জায়েয নেই। কিন্তু সদকার নিয়ত থাকলে সেটি জায়েজ।
- যেমন: আমরা অনেক সময় কুরবানির পশুর চামড়া বিক্রি করি। এটা বিক্রির পিছনে সম্পূর্ণ মূল্য সদকা করারই নিয়ত থাকে। এই অবস্থায় বিক্রি করা জায়েজ আছে।
- তাই যদি চর্বি কোনো প্রয়োজনে না আসে আর এটা বিক্রিই করতে হয়; তাহলে মূল্য সদকা করার নিয়তে সেটা বিক্রি করা যাবে। আর বিক্রয়লব্ধ সম্পূর্ণ টাকাই সদকা করে দিতে হবে।
- ইলাউস সুনান (১৭/২৫৯)
- বাদায়েউস সানায়ে (৪/২২৫)
- ফাতাওয়া আলমগীরী (৫/৩০১)
দ্বীন প্রচারের নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও সচেতন করুন।
– সংগৃহীত (মুসলিম ডে এপ)
