সমসাময়িক ইসলামিক বয়ান – ১

✔ মোহাম্মদ হোবলস বলছেন…… আবেগ থাকুক। তবে তা নিজের ভেতরে পূর্ণাংগভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কাজে লাগান। ইসলামকে এমনভাবে ধারণ করুন নিজের মধ্যে – যেন ফিতনার হাজার ঝড়েও ইসলাম থেকে ছিটকে না পড়েন।

✔ প্রতিটি বস্তুর-ই বিপদ রয়েছে । জ্ঞানের বিপদ হলো ভুলে যাওয়া। আর ইবাদতের বিপদ হলো অলসতা।

✔ ডক্টর শামসুল আরেফিন বলছেনঃ আচ্ছা, ধরে নিন, সারা দুনিয়ার ইসলামের রাষ্ট্র খেলাফত কায়েম হয়ে গেল কিন্তু আল্লাহ্‌র সাথে আমার সম্পর্ক হলো না। তাহলে কি কিছু হইলো ? কোন লাভ আছে এতে? সবাই সব পেয়ে গেল, সব হয়ে গেল, শুধু আল্লাহ্‌র সাথে আমার যে সম্পর্কটা, সেই সম্পর্কটা আমি বানাইতে পারলাম না। এটা দিয়ে লাভ নাই! ঐ যে বলে না মিষ্টি অনেক মিষ্টি, একজন লোক কোনদিন মিষ্টি খায় নায়। ত সে ত বলেই যাচ্ছে অনেক মিষ্টি অনেক মিষ্টি কিন্তু মিষ্টি খায় নাই কখনো । তাহলে সে কি বুঝতে পারলো আসলে জিনিষ টা কি? কেমন মিষ্টি সেটা? তো আমার কথা হলো ভাই, আল্লাহ্‌র সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক তৈরি করেন। এটা করা চায়। সম্পর্ক মানে কি ? সম্পর্ক মানে এক দিক থেকে না, উভয় দিক থেকে হওয়া চায়। প্রতিটা মুহূর্তে আমি অনুভব করতে পারব যে আল্লাহ্‌ আমার সাথে আছে।

✔ শায়খ আবদুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক কি বলছেন……… যে নারী যত কোমল, যত ভদ্র, যত নম্র, এবং যত পর্দানশীল; তার সন্তান তত সাহসী, তত বীর বিক্রম, তত বীর পুরুষ। যে নারী যত অভদ্র, যত পুরুষদের বেশি মিশে, যত বেহায়া এবং নারীবাদি; তাদের সন্তান ততটাই দুর্বল, আর ওরাই হচ্ছে এলজিবিটি হয়ে সমাকামীর রূপ ধারণ করে। দেখবেন তাদের পুরুষরা বলবে আমার মধ্যে মেয়েলী বোধ জাগ্রত হয়েছে, সুতরাং সে মেয়েরূপ ধারণ করতে চায়, কারণ তার পৌরুষত্ত্ব শেষ হয়ে গেছে। আপনি চাইলে বাস্তবে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন, আর শয়তান এটা চায়। এই জন্য খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু), তারিক বিন যিয়াদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) কেমন মেয়ের পেট থেকে জন্ম নিয়েছিলো বলতে পারেন? তারা ছিল খুবই কোমল, খুবই নম্র, খুবই পর্দানশীলা; তাদের উদর থেকে ভয়ংকর রকমের বীর বিক্রম, বীর পুরুষ, বীর মুজাহিদ জন্মগ্রহণ করেছেন।

✔ জনৈক সালাফি বলছেন…… উম্মে সালামা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) বলেছেন, যখন এই আয়াত নাযিল হয়ঃ

“তারা যেন নিজেদের উপর চাদর (জিলবাব) নামিয়ে দেয় …”  (সূরা আহযাব, আয়াত ৫৯)

আনসার নারীরা এমনভাবে বাহির হয়েছিলেন যে, তাদের পোশাকের কারণে মনে হতো যেন তাদের মাথার উপর কাক বসে আছে। তারা কালো পর্দা (হিজাব) পরিধান করতেন। এটিই মুমিন নারীদের বৈশিষ্ট্য। অতএব, আপনারা আপনার মা, বোন আর আহলিয়াদের উৎসাহ দান করুন তাদের অনুসরণ করার, যাতে উনারা সফলকাম হতে পারে। আরো বলুন, এই দুনিয়ার জীবন এবং জাঁকজমকে বিভ্রান্ত হয়ো না। আর সেই ব্যক্তির দ্বারাও বিভ্রান্ত হতে বারণ করেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র উপর বা শেষ দিবসে বিশ্বাস করে না।

✔ বিবাহিতরা চায় ডিভোর্স, আবার অবিবাহিতরা চায় বিয়ে করতে। যে অজানা সে চায় জনপ্রিয়তা; আবার যে জনপ্রিয় সে গোপনীয়তা চায়। তরুণরা দ্রুত বড় হতে চায়! বৃদ্ধরা চায় তাদের যৌবন ফিরে পেতে; গরীব হতে চায় ধনী, আর ধনীরা চায় এক মুঠো শান্তি;

✔ মুফতি তারিক জামিল আল্লাহ্‌র রহমত সম্পর্কে বলতে গিয়ে কেঁদে কেঁদে আমাদের বলছেন…… নিজের ছেলে নাফরমান হলে মা বলতে থাকে তুই আমার ছেলে না, দূর হয়ে যা আমার চোখের সামনে থেকে; পিতা যখন সন্তানকে বলে তুই আমার বীর্য-ই না, যে জন্ম নিচিস এর থেকে, আমি তোকে আমার সম্পদ থেকে বেদখল করলাম; আর আল্লাহ্‌ কি বলছে, আর আমার আল্লাহ্‌ কি বলছেন? আপনার আমার সেই রব যার সামনে দিবা রাত্রি আমরা নাফরমানী দিয়ে সাজিয়ে রেখেছি পুরো জীবন, তিনি কি বলেন শুনেনঃ

আল্লাহ্‌ বলছেনঃ ও আমার বান্দা! ও আমার বান্দা! বান্দা তুই আমার, তুই আমার, আর কারো না! কেন ভয় পাচ্ছিস? কতটুকুই বা তোমার গুনাহ? সম্পূর্ণ দুনিয়ার জমিন ভরে ফেলেছিস গুনাহ দিয়ে তুই? আসমান ভরে দিছিস? আসমান পর্যন্ত তোর গুনাহ চলে গেছে? আরে নাহ! নাহ! নাহ! সামান্যই তো গুনাহ করেছিস!

لَا تَقْنَطُوا مِن رَّحْمَةِ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا

তুই আমার রহমত থেকে নিরাশ হয়ে যাস না; তুই তওবা কর আর দেখ আমি আল্লাহ তোর সমুদয় পাপ কিভাবে ক্ষমা করে দেয়।

বর্তমান মুসলমানের নমুনা পেশ করিঃ

১… আমরা লন্ডনে পড়াশুনা করতে চায়।

২… আমরা আমেরিকায় কাজ করার জন্য পাড়ি জমাতে চায়।

৩… আমরা ইংরেজীতে কথা বলতে চায়।

৪… আমরা চাইনিজ খাবার, ইটালিয়ান পিজ্জা, এবং রাশিয়ান সালাদ খেতে চায়।

৫… আমরা জাপানের সেরা ইলেকট্রনিক ব্যবহার করতে চায়।

৬… আমরা ছুটি কাটানোর জন্য ইউরোপ যেতে চায়;

৭… আমরা ইংরেজী সিনেমা দেখতে চায়।

৮… আমরা হিন্দি গান দিনভর শুনতে চায়, কানে হেডফোন গুঁজে দিয়ে।

এবং অবশেষ জীবন-মৃত্যুর শেষ মুহুর্তে এসে কি চাই আমরা

  • মক্কা শরীফে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে চাই;
  • মদীনা শরীফের জান্নাতুল বাকিতে দাফন হতে চাই;
  • আর বিনা হিসেবে জান্নাতে যেতে চাই;

খুবই বিষ্ময়কর ব্যাপার না ভাই??

 

[ বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ কথাগুলো সব সংগৃহীত কিন্ত অন্তর নাড়া দেওয়ার মত, সময় থাকতে পরিবর্তন হয়ে যান আল্লাহ্‌র জন্য ]

9 thoughts on “সমসাময়িক ইসলামিক বয়ান – ১

  1. Very nice post. I simply stumbled upon your weblog and wanted to say that I’ve truly loved browsing your weblog posts. In any case I’ll be subscribing to your feed and I hope you write again very soon!

  2. I enjoy what you guys tend to be up too. This type of clever work and reporting! Keep up the superb works guys I’ve added you guys to my personal blogroll.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *