হজ্ব বীমা (মুনাফাসহ)

ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের অন্যতম একটি স্তম্ভ হচ্ছে পবিত্র হজ্ব। মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে হজ পালনের নির্দেশ দিয়েছেন। স্বাধীন, সুস্থ, বয়ঃপ্রাপ্ত ও হজে যাওয়া আসার সমুদয় খরচ ও এ সময়ে পরিবার পরিজনের ভরন। পোষণের সামর্থ যার রয়েছে তার জন্য হজ পালন করা ফরজ। এ ব্যাপারে আল্লাহর নির্দেশ, “মানুষের উপর আল্লাহর পক্ষ থেকে এ দায়িত্ব দেয়া হয়েছে যে, যারা এ ঘরে পৌছার সামর্থবান হবে” সে যেন এই ঘরে হজ্ব আদায় করে। (সুরা আল-ইমরান: আয়াত নং ৯৭)

পবিত্র হজ্ব পালনের আর্থিক সামর্থ্যের নিশ্চয়তা বিধানে সহযোগীতা দানের জন্য মার্কেন্টাইল ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড আপনার সেবায় দিচ্ছে “হজ্ব বীমা পলিসি”। এ পলিসি সঞ্চয়ের এমন একটি মাধ্যম যা পবিত্র হজ্ব, ওমরা পালন আপনার চাহিদা ও লক্ষ্যকে সামনে রেখে বেছে নিতে পারেন ৫ থেকে ১৫ বছরের যে কোন মেয়াদের একটি পলিসি। এই পরিকল্পের অধীনে সর্বনিম্ন বীমা অংক ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা।

মেয়াদ পূর্তিতে পাবেন মুনাফা সহ (লাভ-ক্ষতির ভিত্তিতে) বিরাট অংক যা আপনার হজ্ব বা ওমরা পালন করার পরও অন্য যে কোন প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম হবে।

মেয়াদ পূর্তির পূর্বে বীমা গ্রহীতার মৃত্যুবরণ করলে (আল্লাহ না করুক) বীমা গ্রহীতার পুরো টাকা লাভ ক্ষতির ভিত্তিতে নির্ধারিত মুনাফা সহ তার পরিবারকে (মনোনীতককে) প্রদান করা হবে। এ বিরাট অংকের টাকা দিয়ে বীমা গ্রহীতার পক্ষে পবিত্র হজ্ব, ওমরা আদায়ের পরও তার অতি প্রিয়জনদের বিপদ উত্তরণ করা সম্ভব হবে। অন্ততঃ ২ (দুই) বছর প্রিমিয়াম প্রদানের পর পলিসি নগদ সমর্পন মূল্যের ৯০% ঋণ নিয়ে পবিত্র হজ্ব পালন করতে পারবেন কিংবা অন্য যে কোন জরুরী প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম হবেন। প্রদত্ত প্রিমিামের উপর আয়কর রেয়াত পাওয়া যায়। বীমা দাবীর টাকাও আয়কর মুক্ত।

You are currently viewing হজ্ব বীমা (মুনাফাসহ)